মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
ইউনিয়ন ভূমি অফিস

প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসরয়েছে। এই অফিস ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভূমি সংস্কার বোর্ড,বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবংউপজেলা পর্যায়ে সহকারী কমিশনার(ভূমি)  এর অধীন পরিচালিত। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন এলাকায় একাধিক ভূমি অফিসরয়েছে, যা “সার্কেল ভূমিঅফিস” নামে পরিচিত।

দপ্তরপ্রধানের পদবী:  ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

ক্র:

নং

সেবার নাম

যার বরাবরে

আবেদন করতে হবে

প্রয়োজনীয়

কাগজপত্র

নিষ্পত্তির

সময় কাল

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে যার যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে

০৭ নং কলামে নিষ্পত্তি না হলে যার সাথে যোগাযোগ করতে হবে ও সময় কাল

১।

নামজারী ও

জমা ভাগ

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

১। আবেদন কারীর মূল দলিলের কপি।

২। সকল ভায়া দলিলের কপি।

৩। এস.এ এবং আর.এস খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা

৪। সত্যায়িত ওয়ারিশ সনদপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৫। অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাগজ পত্র।

৬। প্রতিটি আবেদনে ৫/- টাকা কোর্ট ফি  লাগাতে হবে।

৩০

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময়কাল ০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

২।

ভি.পি সম্পত্তির লীজ নবায়ন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

১। ৫/- টাকার কোর্ট ফি সহ আবেদন পত্র

২। বিগত বছরের নবায়ণের বরাদ্দ পত্র ও ডি.সি.আর এর ফটোকপি

৩। নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ওয়ারিশ সনদ পত্র ও অন্যান্য দলিলাদি

২০ দিন

২মাস

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

 

৩।

খাস চান্দিনা ভিটির একসনা লাইসেন্স নবায়ন

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

১। ৫/- টাকার কোর্ট ফি সহ আবেদন পত্র

২। বরাদ্দ পত্রের কপি

৩। বিগত সনের ডি.সি.আর এর কপি।

২০ দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

৪।

 খাস চান্দিনা ভিটির নতুনএকসনা লাইসেন্স 

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

১। ৫/- টাকার কোর্ট ফি সহ আবেদন পত্র

২। ট্রেড লাইসেন্স, চৌকিদারি ট্যাক্স সার্টিফিকেট

২ মাস

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

৫।

মিস কেইস

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

১। ৫/- টাকার কোর্ট ফি সহ আবেদন পত্র

২। আবেদনের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

৩। প্রয়োজন অনুযায়ী চাহিতঅন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাগজ পত্র।

নামজারী ও জমাভাগের ক্ষেত্রে ৩০ দিন। অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত নয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

৬।

ভূমি উন্নয়ন কর পূণ:নির্ধারন

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

১। মালিকানা সংক্রান্ত কাগজ পত্র।

২। দাখিলার ফটোকপি (পূর্বে পরিশোধকৃত)

৩। আবেদনের স্বপক্ষে প্রযোজনীয় কাগজপত্র।

০২ মাস

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

৭।

নামজারী /পর্চা হারানো

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

১। কোর্ট ফি সহ আবেদন পত্র।

২। জি.ডি এর কপি।

১৫ দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

৮।

রেন্ট সার্টিফিকেট কেস

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

রিকুইজিশন

৩ মাস

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

৯।

কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত

জেলা প্রশাসক

নীতিমালা মোতাবেক প্রযোজ্য কাগজ পত্র

৩ মাস

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

১০।

অর্জিত ছুটি/মাতৃত্বজনিত ছুটি সহ অন্যান্য ছুটি

জেলা প্রশাসক

মাধ্যম:

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

১। আবেদন

২। ডাক্তারী সনদ

৩। অন্যান্য প্রযোজ্য সনদ

৭ দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

১১।

অবসর গ্রহন প্রস্ত্ততি মূলক ছুটি

জেলা প্রশাসক

মাধ্যম:

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

আবেদন ও প্রযোজ্য সকল কাগজ পত্র

৭ দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

১২।

পেনশন কেস নিষ্পত্তি

জেলা প্রশাসক

মাধ্যম:

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

প্রযোজ্য সকল কাগজ পত্র

১৫ দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সময় কাল

০৩ দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

১৩

তথ্য পরামর্শ ও অভিযোগ এর জন্য

সহকারী কমিশনার (ভূমি)

১। সরাসরি সহকারীকমিশনার (ভূমি) এর সাথে সাক্ষাত করতে পারবেন।

২। আবেদন কারীর একটি আবেদন পত্র ও প্রযোজ্য সকল কাগজ পত্র।

তাৎক্ষনিক

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

 

 

সিটিজেন চার্টার

নামজারী, জমাভাগ ও জমা একত্রী করণের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরআবেদনপত্রদাখিল করতে হবে । আবেদন মঞ্জুর না হলে/ সংক্ষুব্ধ হলে অতিরিক্তজেলাপ্রশাসক(রাজস্ব) বরাবর আপীল করা যাবে । মালিকানা নিয়ে কোন বিরোধ নাথাকলেআবেদন প্রাপ্তির তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৪৫ (পয়তাল্লিশ) কার্য দিবসেরমধ্যেকার্যক্রম সমাপ্ত হবে । নামজারী, জমাভাগ ও
জমা একত্রী করণের মাধ্যমে রেকর্ড সংশোধনের নির্ধারিত ফি নিম্নরূপঃ
ক)    আবেদন বাবদ কোর্ট ফি                  =    ৫.০০ (পাঁচ) টাকা
খ)     নোটিশ জারীর ফি                      =     ২.০০ (দুই) টাকা ( অনধিক চার জনের জন্য,চার এর অধিক প্রতিজনের জন্য আরো০.৫০ টাকা হিসেবে প্রদান করতে হবে) ।
গ)     রেকর্ডসংশোধন ফি                       =     ২০০.০০ (দুইশত) টাকা
ঘ)     প্রতিকপিমিউটেশন খতিয়ান ফি         =     ২৫.০০ (পঁচিশ) + ১৮.০০ (আঠার) টাকা

........................................................................................................................
সর্বমোট                =    ২৫০.০০ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা+ নোটিশজারীর ফি ৪ এর অধিক প্রতিজনের জন্য আরো ০.৫০ টাকা হিসেবে জমিরপরিমান  ও  ভূমি
                                  উন্নয়ন করের হার ।

১। কৃষি জমিঃ
    ক) ৮.২৫ একর (২৫ বিঘার নীচে)    ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে না ।
    খ) ২৫ বিঘার উর্দ্ধে (৮.২৬ একর হতে ১০.০০ একর পর্যন্ত)    প্রতি শতাংশ ০.৫০ টাকা ।
    গ) ১০.০০ একরের উর্দ্ধে    প্রতিশতাংশ ১.০০ টাকা ।

২। অকৃষি জমিঃ
    ক) জেলা সদরের পৌর এলাকায়    আবাসিক প্রতি শতাংশ ৭.০০ টাকা বানিজ্যিক প্রতি শতাংশ ২২.০০ টাকা
    খ) পৌরসভা ঘোষিত হয় নাই এমন এলকার, পাকা ভিটি প্রতি শতাংশ ৫.০০ টাকা বানিজ্যিক প্রতি শতাংশ ১৫.০০ টাকা
╚জমিরহিসাববিবরণী বাতিলের জন্য বকেয়া ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা কপিসহসহকারীকমিশনার ( ভূমি ) বরাবরে আবেদন করতে হবে ।ষ্টেটমেন্ট হোল্ডার এরমৃত্যুতে 
    ওয়ারিশ সনদ এবং জমি হস্তান্তর বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে দলিলাদিউপস্থাপনকরতে হবে ।
╚বন্দোবস্তেরআবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর এবংনবায়নের আবেদন সহকারী কমিশনার ( ভূমি) এবংহাট বাজারের নাম পরিবর্তনেরআবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করতে হবে ।  
     সকল ক্ষেত্রে ৫/= টাকা কোর্ট ফিসংযুক্ত করতে হবে ।
╚  হাট বাজারের খাস, চান্দিনা ভিটি, একসনা ইজারার সেলামীর ( বাৎসরিক ) পরিমাণঃ
       ক)     পৌর এলাকার প্রতি বর্গমিটার ৫০০/- টাকা ।
       খ)     জেলা সদর = প্রতি বর্গমিটার ১২৫/- টাকা 
       গ)     উপজেলা সদর= প্রতিবর্গমিটার= ৫০/- টাকা
       ঘ)     অন্যান্য= প্রতি বর্গমিটার ১৩/- টাকা ।
╚ব্যক্তিগত জমির সীমানা পরিমাপের কোন আবেদন গ্রহণ করা হয় না । শুধু সরকারী জমির সীমানা নিধারণেই সার্ভেয়ার কে নিয়োগ দেয়া হয় ।
        ক)    কৃষি খাস জমিঃ  সকল প্রকার কৃষি খাস জমি সরকারীনীতিমালা মোতাবেকপ্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বণ্টিত হবে । উপজেলানির্বাহী  অফিসার/ সহকারীকমিশনার  (ভূমি ) বরাবর আবেদনপত্র দাখিলকরতে হবে ।
        খ)    অকৃষি খাস জমিঃ  ১৯৯৫ সনের অকৃষি খাস জমিবন্দোবস্ত নীতিমালা অনুসারে জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর আবেদন পত্র দাখিলকরতে হবে ।
                                       কেবললীজ কেসভূক্ত  সম্পত্তি নবায়নযোগ্য । ভিপি লীজকৃত সম্পত্তিইজারা/ নবায়নেরক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার /
                                        সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) বরাবর আবেদন করতে হবে ।

╚   অত্র অফিসে অর্পিত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও ইজারা কার্য্যক্রম গ্রহণ করা হয় ।
             বাৎসরিক সেলামীর পরিমানঃ
             ক)     কৃষি জমিঃ     ৫০০/- একরপ্রতি 
             খ)     অকৃষি ভিটি জমিঃ  ২০০০/- একর প্রতি 
              গ)     শিল্প/ বাণিজ্যিক জমিঃ     ৩০০০/=একর প্রতি  ।

╚      ভূমিহীনদেরজন্যআবাসন /আশ্রয়ন /গুচ্ছগ্রাম এর প্রস্তাবনা, বরাদ্দসহ হস্তান্তরপরবর্তীসার্বিক ব্যবস্থাপনা করা হয় । এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার
             /সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে  আবেদন করতে হবে ।
╚      মিউটেশন কেস, মিসকেস,  রেন্ট সার্টিফিকেট কেস নিস্পত্তি এবং রিভিউ শুনানীও নিস্পত্তি করা হয়।

খতিয়ান কী ?
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরন সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।
সি,এস রেকর্ড কী ?
সি,এস হল ক্যাডাস্টাল সার্ভে। আমাদের দেশে জেলা ভিত্তিক প্রথম যে নক্সা ও ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় তাকে সি,এস রেকর্ড বলা হয়।
এস,এ খতিয়ান কী ?
সরকার কর্তৃক ১৯৫০ সনে জমিদারি অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন জারি করার পর যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস,এ খতিয়ান বলা হয়।  
নামজারী কী ?
উত্তরাধিকার বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কোন জমিতে কেউ নতুন মালিক হলে  তার নাম খতিয়ানভূক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলে।
জমা খারিজ কী ?
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।
পর্চা কী ?
ভূমি জরিপকালে প্রস্তুতকৃত খসরা খতিয়ান যে অনুলিপি তসদিক বা সত্যায়নের পূর্বে ভূমি মালিকের নিকট বিলি করা হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পর্চা সত্যায়িত বা তসদিক হওয়ার পর আপত্তি এবং আপিল শোনানির শেষে খতিয়ান চুরান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ইহার অনুলিপিকে পর্চা বলা হয়।
তফসিল কী ?
তফসিল অর্থ জমির পরিচিতিমূলক বিস্তারিত বিবরন। কোন জমির পরিচয় প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার নাম, খতিয়ান নং, দাগ নং, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমান ইত্যাদি তথ্য সমৃদ্ধ বিবরনকে তফসিল বলে।
মৌজা কী ?
ক্যাডষ্টাল জরিপের সময় প্রতি থানা এলাকাকে অনোকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একক এর ক্রমিক নং দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরুপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
খাজনা কী ?
ভূমি ব্যবহারের জন্য প্রজার নিকট থেকে সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে ভুমি কর আদায় করে তাকে ভুমির খাজনা বলা হয়।
ওয়াকফ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মুসলিম ভূমি মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যানমুলক প্রতিষ্ঠানের ব্যায় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি দান করাকে ওয়াকফ বলে।
মোতওয়াল্লী কী ?
ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান যিনি করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে।মোতওয়াল্লী ওয়াকফ প্রশাষকের অনুমতি ব্যতিত ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না।
ওয়রিশ কী ?
ওয়ারিশ অর্থ ধর্মীয় বিধানের আওতায় উত্তরাধিকারী। কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে আইনের বিধান অনুযায়ী তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্নীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে ওয়ারিশ বলা হয়।
ফারায়েজ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
খাস জমি কী ?
ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
কবুলিয়ত কী ?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহন করে খাজনা প্রদানের যে অংঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
দাগ নং কী ?
মৌজায় প্রত্যেক ভূমি মালিকের জমি আলাদাভাবে বা জমির শ্রেনী ভিত্তিক প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সিমানা খুটি বা আইল দিয়ে স্বরজমিনে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়। মৌজা নক্সায় প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে ক্রমিক নম্বর দিয়ে জমি চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রদত্ত্ব নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে।
ছুট দাগ কী ?
ভূমি জরিপের প্রাথমিক পর্যায়ে নক্সা প্রস্তুত বা সংশোধনের সময় নক্সার প্রত্যেকটি ভূ-খন্ডের ক্রমিক নাম্বার দেওয়ার সময় যে ক্রমিক নাম্বার ভূলক্রমে বাদ পরে যায় অথবা প্রাথমিক পর্যায়ের পরে দুটি ভূমি খন্ড একত্রিত হওয়ার কারনে যে ক্রমিক নাম্বার বাদ দিতে হয় তাকে ছুট দাগ বলা হয়।
চান্দিনা ভিটি কী ?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান অংশের অকৃষি প্রজা স্বত্ত্য এলাকাকে চান্দিনা ভিটি বলা হয়।
অগ্রক্রয়াধিকার কী ?
অগ্রক্রয়াধিকার অর্থ সম্পত্ত্বি ক্রয় করার ক্ষেত্রে আইনানুগভাবে অন্যান্য ক্রেতার তুলনায় অগ্রাধিকার প্রাপ্যতার বিধান। কোন কৃষি জমির মালিক বা অংশিদার কোন আগন্তুকের নিকট তার অংশ বা জমি বিক্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করলে অন্য অংশিদার কর্তৃক দলিলে বর্নিত মূল্য সহ অতিরিক্ত ১০% অর্থ বিক্রি বা অবহিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জমি ক্রয় করার আইনানুগ অধিকারকে অগ্রক্রয়াধিকার বলা হয়।
আমিন কী ?
ভূমি জরিপের মধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তুত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলা হত।
সিকস্তি কী ?
নদী ভাংঙ্গনে জমি পানিতে বিলিন হয়ে যাওয়াকে সিকস্তি বলা হয়। সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়স্তি হলে সিকস্তি হওয়ার প্রাককালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন, তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
পয়স্তি কী ?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়স্তি বলা হয়।
নাল জমি কী ?
সমতল ২ বা ৩ ফসলি আবাদি জমিকে নাল জমি বলা হয়।
দেবোত্তর সম্পত্তি কী ?
হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির আয়োজন, ব্যাবস্থাপনা ও সু-সম্পন্ন করার ব্যয় ভার নির্বাহের লক্ষ্যে উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি সম্পত্তি বলা হয়।  
দাখিলা কী ?
ভূমি মালিকের নিকট হতে ভূমি কর আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফরমে (ফরম নং-১০৭৭) ভূমিকর আদায়ের প্রমানপত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলে।
ডি,সি,আর কী ?
ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফরমে (ফরম নং-২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে ডি,সি,আর বলে।
দলিল কী ?
যে কোন লিখিত বিবরনি যা ভবিষ্যতে আদালতে স্বাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিষ্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করেন তাকে সাধারনভাবে দলিল বলে।
কিস্তোয়ার কী ?
ভূমি জরিপকালে চতুর্ভূজ ও মোরব্বা প্রস্তুত করারপর  সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভূমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নক্সা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
খানাপুরি কী ?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরণ করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

ছবি নাম মোবাইল
কার্তিক চন্দ্র সরকার 0

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল
শাহাজাহান

0

 

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

গুনাইগাছ, উলিপুর,কুড়িগ্রাম

 

মোবাই নম্বর- ০১৭৩৮৪৫০১৪১